Ads

শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০

IBPS PO mains quantitative aptitude question & answer/ want to answer aptitude test

 You need two books.


A book where you can learn in detail and practice. One such book is by R. S. Agrawal.

Another book where you can see last year's Q&A. In this case I would say Arihant's book. The book( Name- 20 years Bank PO Quantitative Aptitude)  containsq and answers from the past 20 years 
OR
another book (Name- IBPS PO 9 year preliminary & main) is also important.

You can also download the PDF by searching on Google.

Ask questions to learn more.

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

খবর! তুমি কার?



আকাশবানী কলকাতা,খবর পড়ছি......... মনে পড়ে?

গুরুগম্ভীর গলায় গুরুত্বপূর্ণ খবর শোনার জন‍্য রেডিওর (😥 আজ বিলুপ্তপ্রায়) সামনে ভীড়।ভাবতে অবাক লাগে। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সবাই মোটামুটি শুনত। এখন ওসব অতীত 😀।

ইন্টারনেট আর প্রযুক্তির কৃপায় সব হাতের মুঠোয়। সরাসরি সম্প্রচার থেকে শুরু করে যাবতীয় সবকিছুই আপনার আঙ্গুলের ডগায়।


 কিন্তু.......


খবরগুলো যেন বড্ড বেখবর হয়ে যাচ্ছে দিনদিন।

 

তারই কয়েকটা উদাহরণ দিলাম 


১) ১ ঘন্টায় ১০০ গুরুত্বপূর্ণ  খবরের মধ্যে "আমার কুকুর গত  দুদিন ধরে খায় না"- এটাও পড়ে। ফটাফট খবরে ফুটিফাটা হয়ে যাবেন।


২) যখন আলোচনা চক্র চলে তখন কে যে কার কথা শোনে আপনি টেরই পাবেন না। অথচ চোখ আপনার টিভিতে। পৃথিবীর  সব এক্সপার্ট  একসাথে। আর কথায় বলে অধিক সন্ন‍্যাসীতে গাজন নষ্ট। কিছু দিন আগেই শুনলাম আলোচনা চক্র শেষে একজনের মৃত্যু 😢 হয়েছে। তবে এরসাথে কোনো সম্পর্ক নেই।


৩) ধরুন আপনি  পরীক্ষা দিতে গেছেন। প্রশ্ন দেখে মাথায় হাত। গোজামিল দিয়ে লিখবেন ভাবছেন। কিন্তু পারছেন না। পারবেনও না। কারন একটা ঘটনার বিষয়বস্তু তিল থেকে তাল করতে পারবেন না। 


৪) আপনার এলাকা প্লাবিত। আপনি কোমরজলে দাঁড়িয়ে। আপনি সর্বস্ব হারিয়েছেন। ঐ সময়ে একটাই প্রশ্ন "আপনার কেমন লাগছে?" ক'দিন আগে ব্রিজের নিচে আটকে থাকা ব‍্যক্তিকে এমনি এক ইন্টারভিউ দিতে হয়েছিল।


৫) কালো চশমা নিয়ে খবর পড়া। গডফাদার কে কিছুই বলা যাবে না। আর যদি কিছু বলো, তাহলে........বাকিটা ইতিহাস।


৬) এখানে ভিলেনও নায়ক হয়। সম্মান করে হটসীটে বসিয়ে আরতিও করা হয়। যদিও কিছুদিন আগেই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন বা জেলে যেতেও পারেন।


৭) "বুদ্ধিজীবী" এখানে প্রচুর পাবেন। তবে "প্রকৃত বুদ্ধিজীবী" বিরল। তাই খবর প্রকৃত খবর হয়ে ওঠে না।


৮) লোভ শুধু বাচ্চাদের থাকে না। বড়দেরও থাকে। TRP খাবারে এদের বড় লোভ। লোভের পরিমাণ টা এতটাই যে জীবিত আপনাকে মেরে পর্যন্ত ফেলতে পারে, তা সে "ভারতের রাষ্ট্রপতি"ও হোক না কেন।


এখানেই শেষ। আর হ‍্যাঁ....একটা কথা। সাধারন জ্ঞান। কাজে  লাগতে পার‍ে। World Press Freedom Index এ ১৮০ টা দেশের নাম আছে। ভারতের স্থান ১৪২ মনে হয়।


❤️❤️❤️  Press Bell Icon for Subscription & Share ❤️❤️❤️

বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০

বিশ্বের দ্রুততম হলেন এই ভারতীয়

 শকুন্তলা দেবী কে আমরা চিনি "মানব কম্পিউটার" নামে। এবার বিশ্বের দ্রুততম "মানব ক‍্যালকুলেটর" হলেন আর এক ভারতীয়।তিনি নীলকান্ত ভানু প্রকাশ।



হায়দারাবাদের ভারতীয় বিদ‍্যা ভবন পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা শুরু।এখন দিল্লির সেন্ট স্টিফেন্স কলেজে গণিত নিয়ে পাঠরত। প্রখ্যাত গণীতবিদ শ্রীনিবাস রামানুজ তাঁর অনুপ্রেরণা। 



মাত্র ২১বছর বয়সেই লন্ডনে আয়োজিত "মাইন্ড স্পোর্টস অলিম্পিয়াড" এ মেন্টাল ক‍্যালকুলেশন ওয়ার্ল্ড চ‍্যাম্পিয়নশীপে সোনা জিতলেন তিনি।নিকটতম প্রতিযোগীর থেকে ৬৫ নম্বর বেশি পেয়ে প্রথম হন।বর্তমানে ৫০ টি "লিমকা বুক রেকর্ড"এ আর ৪টি বিশ্বরেকর্ড এর অধিকারী। সাধারণ মানুষের থেকে তাঁর মস্তিষ্ক ১০ গুন বেশি দ্রুততর।ভাবা যায়?😯😯😯



প্রচলিত ধারণা এটাই যে "Math is boring ", কিন্তু সেখান থেকে উত্তরণের পথটা যে কি,সেটা অনুধাবন করাটাই সবচেয়ে কঠিন। সেই ভীতি দূর করার জন্য তাঁর "Man vs Machine" আর "Math is Fun" কর্মশালার গুরুত্ব অপরিসীম। মস্তিষ্ককে কিভাবে ব‍্যস্ত রাখা যায়-এটাই তাঁর ভাবনা ছিল।


 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকার দেবার সময় একই সাথে ৪৮ ঘরের নামতা পড়তে থাকেন। তাঁর কথায় "আমি যখন কথা বলছি তখন একই সাথে আমার পাশ দিয়ে যতগুলো ট্যাক্সি চলে গেছে সবগুলোর নম্বর আমি বলে দিতে পারব। কিংবা ধরুন, আমি একজনের সাথে যখন কথা বলছি তখন কতবার তিনি চোখের পলক ফেলছেন সেটা আমি গুনতে থাকি। এভাবে মস্তিষ্ককে সবসময় খাটানো যায়।''



সবাই ভাববে হয়তো জন্মগত প্রতিভা। কিন্তু মাত্র ৫ বছর বয়সে এক দুর্ঘটনায় মাথায় চোট পেয়ে এক বছরের জন্য বিছানাশয‍্যা হতে হয়। তারপর সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে এই সাফল্য। তাঁর কথায়,"কেউ দ্রুত ১০০মিটার দৌড়লে তাকে নিয়ে কোন প্রশ্ন হয়না। তাহলে দ্রুত অঙ্ক কষতে পারলে কেন সবাই অবাক হবে?"

 

ভবিষ্যতে তিনি "ভিশন ম‍্যাথ" নামে একটি গবেষণাগার তৈরি করতে চান, যেখানে ছোট ছেলেমেয়েদেরকে অঙ্কের প্রতি ভালোবাসা ও আগ্রহ গড়ে তোলা  হবে। তাঁর মতে ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের মতোই গণিতচর্চাও একান্ত প্রয়োজন।

অবাক করা মজার কিছু বাংলা ও ইংরেজি শব্দ

 অবাক করা কিছু বাংলা ও ইংরেজি শব্দ 


আমরা প্রতিদিন কত না কত শব্দের সাথে পরিচিত হচ্ছি। কঠিন সহজ মিশিয়ে শব্দভান্ডার পরিপূর্ণ। এমন কিছু শব্দ আছে যেগুলো বেশ মজাদার। আমার খুবই Interesting লাগল। আপনাদের কেমন লাগে জানাবেন।


১)গৃহগোধা বা গৃহগোধিকা --এর অর্থ "টিকটিকি"।আমার জানা ছিল না। 😄


২) বারন-- শব্দটির মানে "নিষেধাজ্ঞা" কিন্তু অন্য অর্থে "হাতি"ও বোঝায়।


৩)কুশাসন-- কু মানে খারাপ। তাই "অন‍্যায় শাসন"। কিন্তু এর সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হয়, কুশ + আসন=কুশাসন।মানে "কুশ (খড়) নির্মিত আসন"।


৪) ধুরন্ধর -- এর আবার  অনেক গল্প। মূল অর্থ ভারবাহক বা ভারবাহী। আদি পর্বে ঘোড়া,হাতি,গাধা ছিল প্রকৃত ধুরন্ধর। তারা মানুষের ভারী বোঝা বহন করত। কিন্তু মানুষ তাদেরকে এই শব্দের ভার বইতে  না দিয়ে নিজের কাঁধে তুলে নিলেন। অসাধারন দক্ষতায়, অনায়াসে যে দায়িত্ব বহন করে সেই "ধুরন্ধর"। এখন অবশ‍্য চতুর, ধড়িবাজ, ঘড়েল হয়ে পড়েন "ধুরন্ধর"।


৫) ভীষমউজ্জ্বললোচনপ্রান🤔-- অন‍্যতম দীর্ঘ শব্দ। এর অর্থ চোখ গুলো জ্বলজ্বল করছে। এছাড়া "নিশীথবনবিলাসিনী", "মীনাক্ষোভাকুলকুবলয়"ও আছে।


এবার আসি ENGLISH এ। কিছু শব্দ বা ফ্রেজ আছে, বেশ মজাদার।



1) COUCH POTATO-- এর অর্থ যে সবসময় TV দেখায় ব‍্যস্ত। ঠিক এমনই MOUSE POTATOও আছে, যার অর্থ হল যিনি COMPUTERএ প্রচুর সময় ব‍্যয় করেন বা কাজ করেন।


2) PANGRAM বলা হয় এমন একটি বাক্যকে যেখানে বর্ণমালার সবকটি অক্ষর বিদ‍্যমান।

উদাহরণ - বিখ্যাত লাইন " THE QUICK BROWN FOX JUMPS OVER A LAZY DOG"।


3) PALINDROME বলা হয় এমন একটি শব্দকে যাকে বাঁম থেকে ডানদিকে  বা ডান থেকে বাঁমদিকে যেভাবেই লেখা হোক না কেন কোনো পরিবর্তন হয় না।

উদাহরণ - MADAM


4)ISOGRAM এমনই একটি শব্দ বা ফ্রেজ যেখানে প্রতিটি বর্ণ সমান সংখ্যক বার ব‍্যবহৃত হয়।

উদাহরণ - DIALOGUE, এখানে প্রতিটি বর্ণ একবার করে ব‍্যবহৃত হয়েছে। DIALOGUE আবার ৫ টি VOWEL দিয়ে তৈরি শব্দও বটে।


5)PNEUMONOULTRAMICROSCOPICSILICOVOLCANOCONIOSIS হল ENGLISH ভাষার দীর্ঘতম শব্দ।😤

সূত্র - Camil Terner



❤️❤️❤️ PRESS BELL ICON & SUBSCRIBE ❤️❤️❤️

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০

ভাবানোর মতো কিছু দুর্লভ ছবি

 


১৮৫৭ সালের মহাবিদ‍্রোহে ব্রিটিশদের অত‍্যাচারের চরম নিদর্শন। দুই বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী কে ফাঁসি দেওয়ার চিত্র। শতকোটি প্রনাম সেইসব বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের।





১৮৮৬সাল। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব এর পরলোক গমন। ছবিতে স্বামী বিবেকানন্দ কেও আমরা দেখতে পাই (বাঁদিক থেকে চতুর্থ )।





 ছবিটি ১৮৯৬ সালের।গ্রীসের এথেন্সে প্রথম MODERN OLYMPICS এর দৌড় প্রতিযোগিতা।





 নিষ্ঠাবান, একাগ্রচিত্রে পাঠরত ছাত্র। মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৪৮সাল। পড়ার সময়,পাছে ঘুম পায় তাই দেওয়ালের পেরেকের সাথে এভাবে চুল বেধে রাখত। 




এবার একটু রঙ্গিন। ১৯৭৭ সাল।তরতাজা যুবক বিল গেটস ধরা খেল পুলিশের হাতে বিনা  Driving License এ গাড়ি চালানোর অপরাধে। তখন কি পুলিশ জানত কাকে ধরে আনা হয়েছে?যাই হোক আইনের চোখে সবাই সমান।


❤️❤️❤️ FOLLOW & SHARE ❤️❤️❤️
❤️❤️❤️ FOLLOW & SHARE ❤️❤️❤️

সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০

আপনি একাকি নাকি একান্নবর্তী?

 একটা সম্পর্কের স্থায়িত্ব কতদিনের? সারাজীবনের নাকি সাময়িক? পিতা-মাতা-সন্তানের সম্পর্ক আমৃত্যু। তাহলে বৃদ্ধাশ্রম কেন? দায়িত্ব পালন করা হয়,তবে সেটা আর্থিক ভাবে (কিছু ক্ষেত্রে ব‍্যতিক্রম অবশ্যই আছে )। মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হ য়। সেটা পিতামাতারই বেশী। তাঁরা সম্পর্কের বেড়াজালে এতটাই আবদ্ধ যে কিছুই করে উঠতে পারে না। কারন হল মায়া,মমতা, অভিজ্ঞতা আর অবশ্যই সামাজিক প্রভাব।

স্বামী- স্ত্রীর সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে গাঢ়, পরে অল্প কঠিন জটিলতা,তারও পরে ভবিষ্যতের কোনো যুবক যুবতীর দায়িত্বশীল পিতামাতা। চক্রাকারে আবর্তিত। ভাই বোনের সম্পর্কটা বন্ধুত্ব, মাতৃত্ব আর হালকা-গভীর শাসনের মিশ্রণ। মিশ্র প্রতিক্রিয়ার স্থায়িত্ব।

এই সম্পর্কের দায়িত্ববোধ মনে হয় ধীরে ধীরে ফ‍্যাকাশে হয়ে চলেছে। একান্নবর্তী পরিবারের সংজ্ঞা এখন অতীত। আগামী দিনে আমরা অভিধানে এর দেখা পাবো- এটা নিশ্চিত। একটা সময় একলা থাকাটা ভাবা যেত না আর এখন "এই একলা ঘর আমার দেশ"। পরিত্রান নেই। সময় কে সামনে রেখে অভিযোজন চলছে আর সম্পর্কও যেন দিনদিন শর্তাধীন হতে চলেছে। দীর্ঘকালিন বিনিয়োগে ঝুঁকি কম আর স্বল্পকালিন বিনিয়োগে ঝুঁকি বেশী, আর আমরা মানুষ হলাম  স্বল্পকালিন আর তার সাথে সম্পর্কটাও।❤️❤️❤️❤️❤️

রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০

কিছু কথা

2020 এর শুরুটাই এলোমেলো।করোনা র থাবায় পৃথিবী এক গভীর  অসুখে ভুগছে।সবাই বাঁচার জন্য লড়ছে। কোনো না কোনো ভাবে আমাদের কে উঠে দাড়াতে হবে। আজ আর art of living এর কাজ নয়।কঠিন বাস্তব এটা।অনেকেই কাজ হারিয়েছে।কত প্রান চলে গেছে।সব মিলিয়ে চোখে জল আনা পরিস্থিতি। তার উপর আমফান ঝড়ের নৃত্য। বাংলার ভয়াবহ অবস্থা। প্রতিটি পরিবার প্রভাবিত। রাস্তায় গাড়ি নেই।হাতে কাজ নেই।মুখে ভাত নেই।রেশনের লাইন আর শেষ হয় না। ত্রাণের জন‍্য হাজার হাজার হাতের মিছিল। আট থেকে আশি সবাই। মনে হয় মানুষ হয়ে জন্মানো টা অপরাধ। 
এসবের মধ্যে সময় আমাদের বাঁচতে শেখায়। আমরা এই সময় কে অতীত করতে চাই। সবাই সবার নিজের মতো করে এই দুঃসময়কে কাটিয়ে  উঠুক। ঈশ্বর সবাই কে সেই শক্তি দিক।
সবাইকে সঙ্গী করে আমি আমার প্রথম  #blog টা লিখলাম। সুখদুঃখ,হাসি কান্নার আর অবশ্যই কিছু করার অঙ্গীকার নিয়ে আমার জমজমাট Zom ZOMAT শুরু করলাম।