Ads

সামাজিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সামাজিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০

আমারা সবাই ভিখারি তাই apply করেছি

চারিদিকে যেভাবে দুর্নীতি বেড়ে চলেছে তাতে কদিন পরেই হয়ত এভাবেই আবেদন করবে (সবাই নয়,যাদের সব থাকতেও নিঃস্ব বলে দাবি করে অসহায়দের নিঃস্ব করে)



কলকাতার ভিখারিদের পুনর্বাসনে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ঘিরে সন্দেহের মেঘ দেখা দিয়েছে রাজ্যে। দোটানায় শাসকদল। ভিখারিদের জন্য নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায় মন্ত্রক। কি আছে এই প্রকল্পে? দেখে নিন..... 

 ১) 📝 প্রথম পর্যায়ে দেশের মোট ১০টি শহরকে ভিখারিমুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। শহর গুলি হল দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, নাগপুর, পাটনা, লখনউ এবং ইন্দোর। 

 ২) 📝 প্রকল্পের মোট খরচের ৬০% কেন্দ্র দেবে ও বাকি ৪০% দিতে হবে রাজ্যকে। 

 ৩) 📝 বড় বড় শহরে ভিখারিদের নিখরচায় খাবারের ব্যবস্থা করা এবং তার জন্য ফিডিং সেন্টার চালু করতে হবে।



 ৪) 📝 সব চেয়ে বড় কথা ভিখারিদের চিহ্নিতকরণ করতে হবে। চিহ্নিতকরণ করে তাঁদের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করার ভাবনা-চিন্তা রয়েছে। 

 ৫) 📝 সাধারণ শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মধ্যদিয়ে বিভিন্ন কাজে যুক্ত করার পরিকল্পনা হয়েছে। 


এই পর্যন্ত ঠিক আছে বা ছিল, কিন্তু সমস্যা হল অন্য জায়গায়। 

করোনার মধ্যেই এই বিষয়ে কলকাতা পুরসভাকে চিঠি মারফত জানিয়েছে কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। ক'দিন আগে কলকাতার পুর-কমিশনারের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সও করেছেন তাঁরা। 

আর গন্ডগোল এখানেই, মূল কথা "ভোট বড় বালাই"। সামনে বিধানসভা ভোট, তাই ব্যাপারটাকে অন্য চোখেই দেখছে রাজ্যের শাসকদল।

 
🤔🤔Confusion-1🤔🤔 

এই প্রকল্পে রাজি হলে এটা প্রমাণ হবে যে কত মানুষ পেটের জ্বালায় কলকাতা শহরে ভিক্ষাবৃত্তি করছেন আর সেটা রাজ্যের ভাবমূর্তির নষ্ট করতে পারে।  


🤔🤔Confusion-2🤔🤔 

বিধানসভার ভোটে এটাকে হাতিয়ার করে প্রচার চালাতে পারে বিজেপি। 


 🤔🤔Confusion-3🤔🤔 
একাংশ আবার মনে করছেন, এই প্রকল্প ফিরিয়ে দিলে ভবিষ্যতে ভিখারি পুনর্বাসন খাতে আর টাকা পাওয়া যাবে না আর অন্য দিকে রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলতে পারে বিজেপি ঠিক যেমনটি হয়েছিল আয়ুষ্মান ভারতের মতো ক্ষেত্রে। আর এখানেই দোটানায় পুরকর্তারা। 






কেন্দ্রীয় ভিখারি নির্মূলীকরণ প্রকল্পে পুরসভা অংশ নেবে কি না, সেই প্রশ্নের জবাব অবশ্য এড়িয়ে গিয়েছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তাঁর মতে, ভিখারিদের জন্য কলকাতা শহরে অনেকগুলি আরবান শেল্টার ইতিমধ্যেই হয়েছে। কিছু ভিখারি আছে তাঁদের বিষয়ে পুরসভার কাছে তথ্য নেই। শহরে ভিখারিদের সঠিক সংখ্যা জানার জন্য সমীক্ষাও করা হবে। তাঁর মতে, কেন্দ্র এমনিতেই কোনও টাকা দেয় না আর কবে টাকা দেবে সেই আশায় তাঁরা বসে নেই। 


  প্রসঙ্গত, হায়দরাবাদ, পাটনা এবং ইন্দোরে এই প্রকল্পের খসড়া রিপোর্ট কেন্দ্রের কাছে ইতিমধ্যে জমা পড়েছে। তার ভিত্তিতে কেন্দ্র অর্থ বরাদ্দও করেছে। বাকিদের থেকে এখনও সাড়া মেলেনি। আপনার বক্তব্য কি??? কমেন্ট করুন। ❤️❤️❤️

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মৃত্যু


 আজ দিনটার অনুভূতি একটু অন্যরকমের। মন খারাপের। বিষাদময়। জীবনের এই চিরসত‍্যটার সামনে আমাদের দাঁড়াতে হবে কোনো এক দিন আর সেই অমর সত‍্য হল "মৃত‍্যু"। বেশ কিছু দিন আগে আমার এক নিকট আত্মীয় মারা গেল। বয়স ৩৭-৩৮ হবে। চোখের সামনে তাঁর বাবা মায়ের করুণ আর্তনাদ দেখে পাষাণ হ্রদয় ও কেঁদে ওঠে। আজ আবার এক বন্ধুর শ্বশুরমশাইয়ের শোচনীয়  অবস্থা। সেই বন্ধুর স্ত্রী থেকে শুরু করে আত্মীয়স্বজন -সবার কথা শোনার পরে একটা কথাই মনে হল যে, আমরা খুবই অসহায়। জীবিতকালের সমস্ত উচ্ছ্বাস, আবেগ,চাওয়া পাওয়ার শেষ উপসংহার হল মৃত্যু। মৃত্যুর ঠিক আগের মুহূর্তটা সবার অজ্ঞাত। কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাসের অন্তর্গত নয়। জীবনের শেষ প্রান্তে এক নীরব পরীক্ষা। জীবের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যেন এক নিঃশব্দ সারাংশ। সারাজীবনের সম্বলটুকুর ভাগীদার অনেকেই। কিন্তু মৃত্যু শুধু "একান্ত আপন"। 

আজ একটা কথা খুবই মনে পড়ছে। এটা আমার লেখার সাথে সাবলীল।


“ মৃত্যু কি সহজ, কি নিঃশব্দে আসে অথচ মানুষ চিরকালই জীবন নিয়ে গর্ব করে যায় ”


-সমরেশ মজুমদার