জমজমাট ZM ZMAT How to আজকাল Aaj Kaal মজারকিছু mojar kichhu Bengali সামাজিক samajik অবাক কিছু obak kichhu বিনোদনbinodonEntertainment GoogleHub question and answerবিবিধbibidho
Ads
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
আমারা সবাই ভিখারি তাই apply করেছি
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০
পুজো মন্ডপে NO ENTRY
এবার রাজ্যের সমস্ত পুজো মন্ডপ কে "নো-এন্ট্রি" ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।
বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়,
কি কি নিয়ম কানুন মানতে হবে দেখে নিন।
১)প্রতিদিন 25 জন উপস্থিত থাকবে,তারা অবশ্যই মন্ডপের পরিচালন কমিটির মধ্যে হবে।
তাঁদের নামের List আগে থেকে জানিয়ে রাখতে হবে এবং প্যান্ডেলে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
২)
প্যান্ডেলে Self-Distance বজায় রাখতে হবে। মানে,ছোটো প্যান্ডেলে আর বড় প্যান্ডেলে যথাক্রমে ৫ মিটার ও ১০ মিটারের লক্ষণরেখা থাকবে। এর মধ্যে কেউ ঢুকতে পারবে না। ব্যারিকেড দেওয়া থাকবে। দূর থেকে "মা" কে দর্শন করতে হবে।
৩) হাইকোর্টের নির্দেশ পালন করা হয়েছে কি না সেব্যাপারে রাজ্য পুলিশের DG এবং কোলকাতা পুলিশের CP কে রিপোর্ট পেশ করতে হবে। লক্ষী পুজোর ৪ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে।
এই সংক্রান্ত মামলায় এর আগে হাইকোর্ট জানায়, "প্রতিটি প্যান্ডেল কনটেনমেন্ট জ়োন হোক ৷ প্যান্ডেলে ঢুকবে শুধু এলাকারই কিছু লোকজন ও নিমন্ত্রিত দর্শনার্থীরা।"
৪)
দ্বিতীয়া থেকেই ভিড়। Social Media থেকে শুরু করে পত্র-পত্রিকায় দেখা যাচ্ছে যথেষ্ট ভিড় হচ্ছে মন্ডপে।মামলার শুনানিতে এই উদাহরণ টেনে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য,"এই ছবি অত্যন্ত ভয়ের। কোরোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ও ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাজ্যের গাইডলাইন রয়েছে খুব ভালো। কিন্তু তা বাস্তবায়ন করার কোন সদিচ্ছা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।"
৫)
তিনি আরও বলেন,"এবছরই মুম্বইয়ে গণেশ চতুর্থীতে শোভাযাত্রার অনুমোদন দেওয়া হয়নি৷ কেরালায় 'ওনাম' উৎসবের পর সেখানে সংক্রমণ ভয়ংকরভাবে বেড়ে গিয়েছে।"
৬) রাজ্যের তরফ থেকে জানানো হয়েছে,পুজোয় ৩০ হাজার পুলিশের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। যদিও আদালত এতে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছে, "লাখ লাখ মানুষকে সামলাতে মাত্র 30 হাজার পুলিশ!"
ভিড় সামলাতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, মুখ্যসচিবের কী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার তার ব্লু-প্রিন্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও রাজ্যের তরফে তা আদালতকে আজ জানানো হয়নি ৷
❤️❤️❤️আপনার মন্তব্য যোগ করুন❤️❤️❤️
রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০
সরকারের দেওয়া ৫০,০০০ টাকা কোথায় কোথায় খরচ: কলকাতা হাইকোর্ট
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পুজো কমিটি গুলোকে ৫০,০০০ টাকা দেওয়া নিয়ে kolkata High court রায় দিল।
১)
আদালতের নির্দেশ,সাব ডিভিশন অফিসার দের কাছে utilization certificate (ভাউচার সহ কোন খাতে খরচ) জমা দিতে হবে পুজোকমিটিকে।
২)
অনুদানের ২৫% অর্থাৎ ১২,৫০০ টাকা খরচ করতে হবে পুলিশ 😎 ও সামাজিক খাতে।
৩)
বাকি ৭৫% অর্থাৎ ৩৭,৫০০ টাকায় কিনতে হবে সানিটাইজার ও মাস্ক। রাখতে হবে রসিদ।
৪)
পুজোকমিটিগুলো যাতে অন্যত্র খরচ না করতে পারে , সেজন্য ব্যবস্থা নিতে হবে প্রশাসনকে।কোন খাতে কত টাকা খরচ করবে তাদেরকে জানিয়ে রাখতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে খরচের ভাউচারও।
৫)
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকার পুজোকমিটি গুলোকে ৫০,০০০ টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছিল। আর এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা করেন সিটু নেতা সৌরভ দত্ত।
৬)
যাই হোক সবাই সাবধানে থাকবেন। ভিড় এড়িয়ে চলবেন। সবাইকে নিয়ে আনন্দ করুন। এখন সবাইকেই সবার পাশে দাঁড়ানো দরকার। দুর্গাপুজোর প্রেম প্রীতি ও ভালবাসা রইল।
বর্তমানে যা অবস্থা তাতে এই টাকা যদি অন্য খাতে খরচ করা হত তাহলে সামাজিক দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিকতারও নিদর্শন হয়ে থাকতো- অনেকেরই এমন ধারনা।
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০
বিশ্বের দ্রুততম হলেন এই ভারতীয়
শকুন্তলা দেবী কে আমরা চিনি "মানব কম্পিউটার" নামে। এবার বিশ্বের দ্রুততম "মানব ক্যালকুলেটর" হলেন আর এক ভারতীয়।তিনি নীলকান্ত ভানু প্রকাশ।
হায়দারাবাদের ভারতীয় বিদ্যা ভবন পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা শুরু।এখন দিল্লির সেন্ট স্টিফেন্স কলেজে গণিত নিয়ে পাঠরত। প্রখ্যাত গণীতবিদ শ্রীনিবাস রামানুজ তাঁর অনুপ্রেরণা।
মাত্র ২১বছর বয়সেই লন্ডনে আয়োজিত "মাইন্ড স্পোর্টস অলিম্পিয়াড" এ মেন্টাল ক্যালকুলেশন ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশীপে সোনা জিতলেন তিনি।নিকটতম প্রতিযোগীর থেকে ৬৫ নম্বর বেশি পেয়ে প্রথম হন।বর্তমানে ৫০ টি "লিমকা বুক রেকর্ড"এ আর ৪টি বিশ্বরেকর্ড এর অধিকারী। সাধারণ মানুষের থেকে তাঁর মস্তিষ্ক ১০ গুন বেশি দ্রুততর।ভাবা যায়?😯😯😯সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকার দেবার সময় একই সাথে ৪৮ ঘরের নামতা পড়তে থাকেন। তাঁর কথায় "আমি যখন কথা বলছি তখন একই সাথে আমার পাশ দিয়ে যতগুলো ট্যাক্সি চলে গেছে সবগুলোর নম্বর আমি বলে দিতে পারব। কিংবা ধরুন, আমি একজনের সাথে যখন কথা বলছি তখন কতবার তিনি চোখের পলক ফেলছেন সেটা আমি গুনতে থাকি। এভাবে মস্তিষ্ককে সবসময় খাটানো যায়।''
সবাই ভাববে হয়তো জন্মগত প্রতিভা। কিন্তু মাত্র ৫ বছর বয়সে এক দুর্ঘটনায় মাথায় চোট পেয়ে এক বছরের জন্য বিছানাশয্যা হতে হয়। তারপর সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে এই সাফল্য। তাঁর কথায়,"কেউ দ্রুত ১০০মিটার দৌড়লে তাকে নিয়ে কোন প্রশ্ন হয়না। তাহলে দ্রুত অঙ্ক কষতে পারলে কেন সবাই অবাক হবে?"ভবিষ্যতে তিনি "ভিশন ম্যাথ" নামে একটি গবেষণাগার তৈরি করতে চান, যেখানে ছোট ছেলেমেয়েদেরকে অঙ্কের প্রতি ভালোবাসা ও আগ্রহ গড়ে তোলা হবে। তাঁর মতে ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের মতোই গণিতচর্চাও একান্ত প্রয়োজন।



















